সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেছেন, আমরা আগে থেকেই বলছি এটা অন্তর্বর্তী সরকার। দ্রুত নির্বাচনের জন্য আমরা আবারও তাদের তাগাদা দিয়েছি।
তিনি বলেন, এই যে ঘটনাগুলো ঘটেছে এর দায় সরকার এড়াতে পারে না। সরকারি বিভিন্ন বাহিনীগুলোর সামনেই এই ঘটনা একটার পর একটা ঘটেছে। আমরা মনে করি এই কারণে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিপন্ন হয়েছে। ফ্যাসিবাদকে সুযোগ করে দিয়েছে এসব বিষয়ে কথা বলার।
ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি এটা অন্তর্বর্তী সরকার। দ্রুত নির্বাচনের জন্য আমরা আবারও তাদের তাগাদা দিয়েছি। ন্যূনতম যেসব সংস্কার করা দরকার সেটুকু করে আমরা নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছি।
তিনি বলেন, আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি এখনো প্রশাসনে যেসব ফ্যাসিবাদের দোসররা রয়েছে, যারা লুটপাটে সহযোগিতা করেছে, যারা হত্যায় সহযোগিতা করেছে তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছি।
ফখরুল ইসলাম আরওবলেন, গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে যেসব মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয়েছে সেসব মামলা প্রত্যাহারের কথা আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি। এ বিষয়ে তারা নীতিগত সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারকে অত্যন্ত জোরালোভাবে বলেছি তারা দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। তারা এ বিষয়ে বলেছেন, দ্রব্যমূল্য কমাতে সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
এদিন সন্ধ্যায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। এই প্রতিনিধি দলে মির্জা ফখরুল ছাড়াও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ ও মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন।