1. admin@totalpost24.com : admin :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে গরুর মাংসের দাম ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করল সরকার খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন যুবদলের সাবেক সহ- সাধারণ সম্পাদক খান মনিরুজ্জামান মিলটন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এম মাহবুবুর রহমান ভুইঁয়া বাংলাদেশে জ্যাক মোটরসের নতুন ডিস্ট্রিবিউটর র‌্যানকন ২০২৫ সালে প্রতিদিন পাঁচ লাখ ক্ষতিকর ফাইল শনাক্ত করেছে ক্যাসপারস্কি গাজীপুরে এআই প্রযুক্তিনির্ভর কারখানা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করল অনার এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা- এর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প নরসিংদীতে ওয়ালটন–মার্সেলের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক ‘ডিলার মানববন্ধন’ ভুয়া ব্যানার, অজ্ঞ অংশগ্রহণকারী ও আত্মসাৎকারীদের নতুন চক্রের মুখোশ উন্মোচন

কৃষিপণ্যের বাজারে অস্থিতিশীলতা রুখতে পারে স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার

টোটাল পোস্ট ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৯১ বার পঠিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার বিভাগের পরিচালক ও প্যারাসাইটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সহিদুজ্জামান বলেন, ভোগ্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল করে তুলেছে কিছু অসাধু সিন্ডিকেট। ফলে কৃষক যেমন ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না একই সঙ্গে ভোক্তাদের হচ্ছে নাভিশ্বাস। মধ্য স্বত্বভোগীদের কালো হাত গুঁড়িয়ে দিতে পারে স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার।

ড. মো. সহিদুজ্জামান বলেন, স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচার বলতে কৃষিকাজে তথ্যপ্রযুক্তি এবং আধুনিক উদ্ভাবনের ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে আরও দক্ষ, লাভজনক ও টেকসই করার পদ্ধতিকে বোঝায়। এতে স্যাটেলাইট ইমেজিং, ড্রোন, সেন্সর এবং জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে মাটির গুণগত মান, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা এবং অন্যান্য পরিবেশগত ডেটা সংগ্রহ করা হয়। এসব ডেটা কৃষকদের সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণে সেচ, সার এবং কীটনাশক ব্যবহার করতে সহায়তা করে। স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচারে ডেটা অ্যানালাইটিক্সের মাধ্যমে ফসল উৎপাদনের পূর্বাভাস, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং কীটপতঙ্গের আক্রমণ সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায়। এর ফলে কৃষকরা আরও কার্যকর পরিকল্পনা করতে পারেন। এটি ফসল উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের কৃষি ও অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাছাড়া স্মার্ট অ্যাগ্রিকালচারের আরেকটি দিক হলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কৃষিপণ্য সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া। এর ফলে মধ্য স্বত্বভোগীর ভূমিকা কমে এবং কৃষকরা তাদের পণ্যের জন্য ন্যায্যমূল্য পেতে পারেন।

ওই অধ্যাপক বলেন, রোবোটিক হারভেস্টার, স্মার্ট ট্রাক্টর এবং স্বয়ংক্রিয় সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিকাজে খরচ ও সময় উভয় সাশ্রয় করা যায়। এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব, পাশাপাশি শ্রমের ওপর নির্ভরশীলতাও হ্রাস পায়। ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট সেন্সর এবং ডিভাইসগুলো মাটির অবস্থা, আর্দ্রতা এবং অন্যান্য পরিবেশগত ডেটা রিয়েল-টাইমে সংগ্রহ করে, যা দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর