1. admin@totalpost24.com : admin :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শৃঙ্খলিত নগরায়ন, স্বনির্ভর রাজধানীর অঙ্গীকার রমজানে গরুর মাংসের দাম ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করল সরকার খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন যুবদলের সাবেক সহ- সাধারণ সম্পাদক খান মনিরুজ্জামান মিলটন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এম মাহবুবুর রহমান ভুইঁয়া বাংলাদেশে জ্যাক মোটরসের নতুন ডিস্ট্রিবিউটর র‌্যানকন ২০২৫ সালে প্রতিদিন পাঁচ লাখ ক্ষতিকর ফাইল শনাক্ত করেছে ক্যাসপারস্কি গাজীপুরে এআই প্রযুক্তিনির্ভর কারখানা চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করল অনার এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা- এর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প নরসিংদীতে ওয়ালটন–মার্সেলের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক ‘ডিলার মানববন্ধন’ ভুয়া ব্যানার, অজ্ঞ অংশগ্রহণকারী ও আত্মসাৎকারীদের নতুন চক্রের মুখোশ উন্মোচন

মার্শাল এগ্রোভেট কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ছত্রাকনাশক এ পেঁয়াজের সর্বনাশ, কৃষকের মাথায় হাত

টোটাল পোস্ট ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৩৬১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের একাধিক পেঁয়াজ চাষী তাদের ক্ষেতে মার্শাল এগ্রোভেটের ছত্রাক নাশক স্প্রে করে তাদের প্রায় ৩০ বিঘা জমির পেয়াজ পঁচে নষ্ট হয়ে গেছে। এর ফলে কৃষকদের প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সেই সাথে কৃষকদের নতুন ফসলের স্বপ্ন নষ্ট হয়ে গেছে।

কৃষকদের পেঁয়াজ চাষ করে বিঘা প্রতি ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা খরচ করে ১৬০ মন করে ফলন পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখানে দেখা গেছে তার বিপরীত চিত্র। ফসল ঘরে ওঠার বদলে এসকল কৃষকরা বিভিন্ন এনজিও ও মহাজন দের কাছ থেকে দাদন নিয়ে পেয়াজ চাষ করে এখন পথের ফকির হবার অবস্থা। তারা তাদের ছেলেমেয়ে নিয়ে দিশেহারা অবস্থায় রয়েছেন। অনেক কৃষক তার শখের গরু বিক্রি করে অধিক লাভের আশায় পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন। এখন সে আশায় গুড়ে বালি।

উল্লেখ্য যে এ ব্যাপারে দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান আমরা শুনেছি এবং সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত মাঠ পরিদর্শন করেছি,ঘটনার সাথে জড়িত কীটনাশক কোম্পানির লোকজন ও সরেজমিনে মাঠ পরিদর্শন করেছে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মার্শাল এগ্রোভেটের একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তির সাথে সরাসরি যোগাযোগ বা টেলিফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হই আমরা।

কোম্পানির হিসাব বিভাগের ম্যানেজার মনির হোসেন সাহেবের সাথে কথা হলে তিনি দায়িত্বশীল লোকদের সাথে কথা বলে মতামত নেওয়ার ব্যবস্থা করে দিবেন বলে আশ্বস্ত করেন কিন্তু পরবর্তীতে কোম্পানির পক্ষ থেকে আর কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

যেকোনো ছত্রাক নাশকের ল্যাবরোটিক্যাল রিপোর্ট হাতে আসতে অনেক দীর্ঘ সময় লাগে। এতে করে কৃষকগণ কবে নাগাদ রিপোর্ট আসবে কবে তাদের ক্ষতিপূরণ পাবে এই আশায় শুভঙ্করের ফাকির মাঝে পড়ে গেছেন। আদো তারা তাদের ক্ষতিপূরণ পাবে কিনা এ ব্যাপারে তারা সন্ধিহান। আর এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে মার্শাল এগ্রোভেট কেমিক্যাল। মার্শাল এগ্রোভেট এর পূর্বের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে বিগত দিনে তারা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কালো তালিকাভুক্ত একটি কোম্পানি। এর কারণ হল মশার লার্ভা নিধনের জৈব কীটনাশক বিটিআই (বাসিলাস থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস) আমদানিতে সিঙ্গাপুরের বেস্ট কেমিক্যালের উল্লেখ করা হলেও এগুলি সিঙ্গাপুরের নয় বলে প্রমাণিত হয়।

এই জালিয়াতির কারণে উক্ত কোম্পানির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আলাউদ্দিন ও নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন আহমেদ ৫০০০ টাকা মুচলেকায় স্থায়ী জামিন নেন। মার্শাল এগ্রোর বিভিন্ন প্রতারণা ও জালিয়াতি সহ কৃষকদের উচ্চ মূল্যে কীটনাশক সরবরাহ করার বিষয়টি দ্বিতীয় পর্বে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর