
বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভরা রবি মৌসুমে চড়া দামেও মিলছে না আলুর বীজ। এখন উপজেলাজুড়ে আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ চলছে। ধান কাটার পর কৃষকরা আলুর চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন। কিন্তু আলুর বীজ চাহিদামতো না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পরেছেন কৃষকরা। আবার বীজ পেলেও তার দাম আকাশ ছোঁয়া।
কৃষকদের অভিযোগ, বিএডিসি ডিলারদের তৈরি করা সিন্ডিকেটের কারণে দেখা দিয়েছে আলুর বীজ সঙ্কট। এ বছর আলু চাষ বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি দামে আলু বীজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। আবার এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্র্যাকের কতিপয় ডিলাররা নির্ধারিত মূল্যের চাইতে দ্বিগুণ দামে আলুর বীজ বিক্রি করছেন।

বিএডিসি সাধারণত অ্যাস্টেরিক, ডায়মন্ড ও সানাশাইন জাতের আলু বিক্রি করে। এসব আলু কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা দরে।
বিএডিসি ডিলার বলেন, কৃষকরা বিএডিসি বীজ নিতে চায় না, তাই আলু বীজ উত্তোলন করিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. গাজীউল হকের সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, আলু বীজের সংকট নেই, তবুও যদি কেউ অভিযোগ করে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।